রমনা বটমুলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে দিব্য নামের বন্যা

প্রতি দিনের মতো আজ ও সূর্য উদয় হয়েছে। দিনটি ছিল পহেলা বৈশাখ যা অন্য দিনের থেকে একটু ব্যতিক্রম। নববর্ষ বরণ উপলক্ষে বাংলাদেশের অন্যান্য সংগঠনের মতো আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ(ইস্‌কন) বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে দিবসের রবি অস্তমিত হয় তার মধ্যে ছিল সকাল ৬:০০ টায় নাম সংকীর্তন সহযোগে শোভাযাত্রা স্বামীবাগ আশ্রম থেকে শুরু হয়ে রাজপথ অতিক্রমের পর সকাল ৮:০০টায় রমনা বটমূলে উপস্থিত হয়। প্রাতের হরিনাম সংকীতন মুগ্ধ করেন সকল রাজপথচারীকে। রমনা বটমূলে প্রবেশের পর শুরু হল দিব্য হরিনাম সংকীর্তন, যাতে অংশগ্রহণ করেন জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই, দিব্য নৃত্য-কীর্তন, গ্রন্থ বিতরন ও রমনা পার্ক প্রদক্ষিণ চলতে থাকে একই সাথে। সংকীর্তনে নেতৃত্ব প্রদান করেন শ্রী শুভ নিতাই দাস ব্রহ্মচারী, শ্রী তরুণ শ্যাম দাস ব্রহ্মচারী, শ্রী প্রাণগোবিন্দ দাসাধিকারী, শ্রী তমাল শ্যাম সুন্দর দাস ব্রহ্মচারী। ভগবানের দিব্যনাম শ্রবনে সকল উপস্থিত  মানুষ মহা সুকৃতির অধিকারী হন।  এইদিকে “ইস্‌কন ফুড ফর লাইফ” এর কার্যক্রম ছিল প্রসংশনীয় কারন তারাও প্রায় পুরু দিন ব্যাপী পরমেশ্বর ভগবানের মহাপ্রসাদ বিতরণ করেন উপস্থিত সকলের মাঝে। ইতোমধ্যে রমনা পার্ক প্রদক্ষিন শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা স্বামীবাগ আশ্রমে এসে সমাপ্ত হয়।

ছবি দেখার জন্য নিম্নের লিংকে ক্লিক করুন

http://www.facebook.com/album.php?aid=20705&id=100000008439302

পদযাত্রা মহামিলন মহোৎসব অনুষ্ঠিত

কলিযুগের পাবনাবতার  শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর সন্ন্যাস গ্রহণের ৫০০ তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ৩ মাস ব্যাপী দেশব্যাপী সংকীর্তন পদযাত্রার মহামিলন ঢাকা স্বামীবাগ আশ্রম (ইস্‌কন মন্দির) এ এক মহা মহোৎসবের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন দেশ বিদেশ থেকে আগত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ, ১৭ তারিখেই ভক্তবৃন্দরা আসতে শুরু করেন এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সংকীর্তন গ্রুপের ভক্তবৃন্দদের জন্য থাকা এবং প্রসাদের সুবিন্যাস্ত ব্যবস্থা করা হয়।১৮ই জানুয়ারী-২০১০ অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলা ১১ টায় বর্ণাঢ্য সংকীর্তনসহ শোভাযাত্রা রাজধানীর প্রধান প্রধান রাজপথ পরিক্রমা করে। ইস্‌কন পদযাত্রা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, ইস্‌কন আচার্য দীক্ষা গুরু ও জিবিসি বর্গের অন্যতম শ্রীল লোকনাথ গোস্বামী মহারাজ পদযাত্রার নেতৃত্ব দেন। সেই সাথে ইস্‌কন জিবিসি শ্রীল ভক্তিপুরুষোত্তম স্বামী মহারাজ, ইস্‌কন বাংলাদেশের সভাপতি শ্রী এস.আর বাড়ৈ, সম্পাদক শ্রী চারু চন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী, সহকারে দেশের বিভিন্ন মন্দির থেকে আগত ইস্‌কনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিকাল ৪টা থেকে মন্দিরের সেবায়েত শ্রী যশোদা নন্দন আচার্য এর সভাপতিত্বে মন্দিরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের আরো পড়ুন »

ঢাকায় সংকীর্তন পদযাত্রার মহামিলন অনুষ্ঠান

হরে কৃষ্ণ, দীর্ঘ আড়াই মাস ব্যাপী সারা বাংলাদেশে পদযাত্রা শেষে আগামী ১৮ই জানুয়ারী-২০১০ তারিখে ইস্‌কন ঢাকা, বাংলাদেশের  উদ্দোগে বিদেশ ও সারা বাংলাদেশ থেকে আগত সংকীর্তন পদযাত্রার ভক্তবৃন্দদের নিয়ে আয়োজন করেছেন সংকীর্তন পদযাত্রার মহামিলন অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করবেন ইস্‌কন গুরু ও জিবিসি বৃন্দ যাদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ, শ্রীল সুভগ স্বামী মহারাজ, শ্রীল লোকনাথ স্বামী মহারাজ, শ্রীল ভক্তিপুরুষোত্তম স্বামী মহারাজ ও অন্যান্য জ্যোষ্ঠ ভক্তবৃন্দ। সকাল ৯টায় ইস‌কন স্বামীবাগ মন্দির থেকে শুরু হবে হরিনাম সংকীর্তন সহ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। সারাদিন ব্যাপী অন্যান্য অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মহাপ্রসাদ আরো পড়ুন »

গীতা জয়ন্তী উৎসব উদযািপত

গত ২৮শে নভেম্বর রোজ শনিবার পরম পবিত্র শ্রী শ্রী মোক্ষদা একাদশীটি ছিল অত্যন্ত মহিমা মণ্ডিত তিথি কেননা এই তিথিতেই পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা বীর অর্জুনকে কুরুক্ষেত্র নামক স্থানে ভগবদ্গীতার জ্ঞান দান করেছিলেন। তাই এই মহিমা মণ্ডিত তিথিকে গীতা জয়ন্তী তিথি বলা হয়। আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ(ইস্‌কন) সমগ্র বিশ্বের মতো স্বামীবাগ আশ্রম ঢাকা মন্দিরেও দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল সমস্বরে গীতার ৭০০ শ্লোক উচ্চারন,এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৬০০ ভক্তবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। গীতাজয়ন্তীকে কেন্দ্র করে স্বামীবাগ আশ্রম সজ্জিত হয় নবরূপে এবং গীতা দ্বারা নির্মান করা হয় গীতা মন্দির, সেই গীতা মন্দির আগত ভক্তবৃন্দের হৃদয় আকর্ষন করে। সমস্বরে গীতার ৭০০ শ্লোক পাঠ শেষে আরো পড়ুন »

Damodar Month: Special Message From HH Jayapataka Swami

header_jps

My Dear Devotees, All Glories to Srila Prabhupada. All Please accept my blessings. Now we are approaching that time of the year where we need to prepare for the Damodar Vrata Month.  Once I asked Prabhupada whether we needed to do something special in this month. And he was saying that the month is specially to attract the new devotees, non-devotees. How? Because the regular devotees, they are doing all the devotional services in all the months, therefore they get all the benefit. আরো পড়ুন »

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.